অচলায়তনের অপ্সরী নাটকের ৩য় মঞ্চায়ন

বাংলাদেশ পুলিশ থিয়েটারের প্রযোজনা “অচলায়তনের অপ্সরী” নাটকের ৩য় মঞ্চায়ন ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা ০৭:১৫ ঘটিকায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় নাট্যশালা (মূল মিলনায়তন), ঢাকায় জাহিদ রহমানের রচনা ও নির্দেশনায় “অচলায়তনের অন্সরী” নাটকটির ৩য় মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হয়।
৬ষ্ঠ শতকে এথেন্সের আইন প্রনেতা মি. সোলেন সর্ব প্রথম পতিতাবৃত্তিকে আইনী বৈধতা দিয়েছিলেন। তারপর থেকে দেশে দেশে বৈধতা পেতে থাকে সামাজিকভাবে ঘৃনীত এই পেশাটি। আমাদের উপমহাদেশেও মুঘল, ফিরিঙ্গীরা এসে তাদের সৈন্যদের মনোরঞ্জনের জন্য পতিতালয় স্থাপন করে। জোরপূর্বক এই পেশায় নিয়োজিত করা হয় ভারতীয় নারীদের। সেই ধারাবাহিকতারই অংশ দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী। এখানে বিক্রি হওয়া এক তরুনী নিজেকে বাঁচাতে গিয়ে উপলব্ধি করে প্রভাবশালীদের দ্বারা তৈরি এটি একটি শক্ত অচলায়তন। উপলব্ধি করে কোন স্বাধীনতা কোন মানবাধিকার নেই এখানকার বাসিন্দাদের। এমনকি এদের সন্তানরাও এই অচলায়তনে বন্দী। এরই মধ্যে দেখা পায় একজন পুলিশ অফিসারের। যিনি এগিয়ে আসেন এদের মানবাধিকার রক্ষায়। প্রচেষ্টা চালান তাদের সন্তানদের সমাজের মূল ধারায় নিয়ে আসতে। উদ্যোগ গ্রহণ করেন মৃত্যুর পর এখানকার মেয়েদের লাশ দাফন কাফনের ব্যাবস্থা করার। যে লাশ গুলি পূর্বে ভাসিয়ে দেয়া হতো নদীর পানিতে। পতিতাপল্লীর নাম বদলে করে দেন “দৌলতদিয়া বাজার পূর্ব পাড়া” । ওই পুলিশ অফিসারকে সহায়তা করতো মেয়েটি। একারনেই প্রভাবশালীদের রোষানলে পড়ে সে। খুনের অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয় তাকে। দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীকে উপজীব্য করে সত্যাশ্রয়ী, গবেষনালব্ধ “অচলায়তনের অপ্সরী” নাটকটির কাহিনী এভাবেই গড়ে উঠেছে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

উক্ত মঞ্চায়নে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কে,এম খালেদ। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, নাট্যজনসহ আরও উপস্থিত থাকবেন পুলিশ থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা জনাব হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার), অতিরিক্ত আইজিপি, ট্যুরিস্ট পুলিশ।

আরো