জুমার দিন আসরের পর যে আমল করবেন

জুমার দিনের একটি বিশেষত্ব হলো এই দিনে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে যে কোনো দোয়া কবুল হয়। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুল সা. বলেছেন,

فِيهِ سَاعَةٌ لا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّى يَسْأَلُ اللهَ شَيْئًا إِلا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ

জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্‌র কাছে কিছু চায়, তা হলে তিনি তাকে অবশ্যই তা দান করেন। (সহিহ বুখারি)

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

আজ পবিত্র শবে কদর

হযরত আবু হোরায়রা (রা.) আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.), ইমাম আহমদসহ (রহ.) বেশিরভাগ সাহাকি ও আলেমের মত হলো জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ সময় আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন এমন বারোটি মুহূর্ত রয়েছে, এমন কোন মুসলিম বান্দা পাওয়া যাবে না, যে ওই মূহূর্তগুলোতে আল্লাহর কাছে কোন কিছু চাইবে, কিন্তু তাকে তা দেওয়া হবে না। তোমরা ওই মূহূর্তগুলোকে আসরের পর শেষ সময়ে অনুসন্ধান কর। (সুনান আন-নাসাঈ)

আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বলেন, একদিন রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বসে ছিলেন। আমি বললাম, আমরা আল্লাহ্‌র কিতাবে জুমার দিনের এমন একটি মুহূর্ত সম্পর্কে আলোচনা পেয়েছি যে মুহূর্তে কোনো মুমিন বান্দা নামাজরত অবস্থায় আল্লাহ্‌র কাছে কিছু প্রার্থনা করলে তিনি তার প্রয়োজন পূরণ করেন। আবদুল্লাহ বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার দিকে ইশারা করে বললেন, সামান্য কিছু সময়। আমি বললাম, আপনি যথার্থই বলেছেন, সামান্য সময়ই। আমি বললাম, সেই মুহূর্ত কোনটি? তিনি বললেন, সেটি হলো দিনের শেষ মুহূর্ত। আমি বললাম, তা তো নামাজের সময় নয়। তিনি বললেন, মুমিন বান্দা এক নামাজ শেষ করে বসে অন্য নামাজের প্রতীক্ষায় থাকলে সে নামাজের মধ্যেই থাকে। (সুনানে ইবনে মাজা)

তাই জুমার দিন আসরের পর আল্লাহর কাছে দোয়ায় নিরত থাকা উচিত। নিজের অভাব, অভিযোগ আল্লাহর কাছে তুলে ধরা উচিত। গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। আশা করা যায় আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করবেন।

আরো