বিটকয়েনের দাম উঠতে পারে দেড় থেকে ২ লাখ ডলারে

চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রতি বিটকয়েনের দাম উঠতে পারে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে। আর ২০২৫ সালের শেষদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের মূল মুদ্রাটির দর পৌঁছাতে পারে ২ লাখ ডলারে। ব্রিটিশ বহুজাতিক ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ডিজিটাল সম্পদ গবেষণার প্রধান জিওফ কেনড্রিক এই পূর্বাভাস দিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে একটি বিটকয়েন এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) অনুমোদন দিয়েছে ইউএস সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। এরকম আরও কয়েকটি ইটিএফ অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। সেগুলো সবুজ সংকেত পেলে ক্রিপ্টোটিতে বিনিয়োগ বাড়বে। স্বভাবতই ভার্চুয়াল মুদ্রাটির দরও বৃদ্ধি পাবে।

সম্প্রতি বাণিজ্যভিত্তিক প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ বিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেনড্রিক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইটিএফ বাজারের প্রসার ঘটছে। বর্তমানে সেখানে ১২ বিলিয়ন ডলারের বিটকয়েনের প্রবাহ রয়েছে। চলমান বছরে তা বেড়ে ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালে যা ১০০ বিলিয়ন ডলারে উঠতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

চড়া দামে মাছ-মুরগি-ডিম, তেলেও সংকট

হঠাৎ চড়া সবজির বাজার

ফের বাড়ল সোনার দাম

তিনি বলেন, ২০০৪ সালে স্বর্ণ ইটিএফ অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সেই থেকে এখন পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয় ধাতুটির দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৩ গুণ। সেদিকটি আমলে নিলে বিটকয়েনের দরও ঊর্ধ্বগামী হবে। আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে আলোচিত ইটিএফগুলো অনুমতি পেলে অনলাইন মুদ্রাটির মূল্য আরও বাড়বে।
এই বিশ্লেষক বলেন, আগের চেয়ে এখন অধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রবেশযোগ্য বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে পরিণত হয়েছে বিটকয়েন। ফলে ক্রিপ্টোটির চাহিদা আরও শক্তিশালী হবে। তাতে দেড় থেকে ২ লাখ ডলারে পৌঁছাবে মুদ্রাটির দর।

কেনড্রিক বলেন, এই মুহূর্তে নিজেদের অর্থের ৮০ শতাংশ স্বর্ণে এবং ২০ শতাংশ বিটকয়েনের বিনিয়োগ করেন ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে যদি মোট অর্থ দুই খাতে সমানভাবে খাটান তারা, তাহলে ক্রিপ্টোটির মূল্য দেড় থেকে ২ লাখ ডলারে উঠবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিটকয়েনপ্রতি দাম প্রায় ৬৩ হাজার ডলার।

[atn_photocard]
আরো