ডিএসই-তে ‘বন্ধক রাখা শেয়ার বাজেয়াপ্তকরণ’ বিষয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) আজ “ব্যাংক ও এনবিএফআই-এর জন্য ডিএসই তালিকাভুক্তি বিধিমালা অনুসারে বন্ধক রাখা শেয়ার বাজেয়াপ্তকরণ” শীর্ষক দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে। ডিএসই লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের উদ্যোগে এবং ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মশালাটি হাইব্রিড (অনলাইন ও সরাসরি) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী বক্তব্যে ডিএসই’র পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, “সিকিউরিটিজ বন্ধক, অবমুক্তকরণ ও বাজেয়াপ্তকরণ বিষয়ক এই কর্মশালাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রাসঙ্গিক। ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ যেভাবে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার বন্ধক রেখে ঋণ প্রদান করে, তার আইনগত ও নৈতিক দিকগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “শুধু আইন জানা যথেষ্ট নয়, নৈতিকতা চর্চার মাধ্যমেই একটি স্বচ্ছ পুঁজিবাজার গড়ে তোলা সম্ভব।”
ডিএসই’র প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, এফসিএস কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “ডিএসই ভবিষ্যতেও এমন প্রোগ্রাম নিয়মিতভাবে আয়োজন করবে, যাতে অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমেই অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয়।”
কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল আমিন রহমান, লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোঃ রবিউল ইসলাম এবং সিডিবিএল-এর মহাব্যবস্থাপক রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী।
বিশেষজ্ঞ আলোচনায় মোঃ রবিউল ইসলাম তালিকাভুক্তির নিয়ম ও সিকিউরিটিজের অধীনে বন্ধক ও বাজেয়াপ্তির আইন ব্যাখ্যা করেন। অন্যদিকে, সিডিবিএল-এর রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী অঙ্গীকারকৃত ও অঙ্গীকারবিহীন শেয়ার এবং বাজেয়াপ্তকরণ সংক্রান্ত ডিপি অপারেশন বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা শেয়ার বাজারে বন্ধক ও বাজেয়াপ্তিকরণ বিষয়ক বাস্তব ও নৈতিক জ্ঞান অর্জন করেন, যা তাদের পেশাগত জীবনে সহায়ক হবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।