ডিএসই-বিজিএমইএ বৈঠক : গার্মেন্টস কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি নিয়ে আলোচনা
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে গার্মেন্টস খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে যৌথ উদ্যোগে কাজ করবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।
বৃহস্পতিবার ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান-এর সঙ্গে রাজধানীতে এক বৈঠক করেন। বৈঠকে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, “গার্মেন্টস শিল্প দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি। পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে এই খাতের কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, বর্তমানে ডিএসইতে গার্মেন্টস ও টেক্সটাইলস খাতে ৫৮টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত আছে। পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করতে লিস্টিং প্রক্রিয়া সহজীকরণে কাজ করছে ডিএসই।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, “আমরা চাই গার্মেন্টস কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে পুঁজিবাজারে আসুক। কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্তির আগে বিজিএমইএ প্রাথমিক সার্টিফিকেট বা এনওসি দিতে পারে, যা কোম্পানিটির সঠিক যাচাই-বাছাইয়ে সহায়ক হবে।” তিনি জানান, পুঁজিবাজার বিষয়ে সদস্যদের সচেতন করতে বিজিএমইএ সেমিনার আয়োজন করবে।
ডিএসই পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি স্টক এক্সচেঞ্জ বিকল্প তহবিলের উৎস হিসেবে কাজ করছে। আগামী এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আমরা আশাবাদী।”
ডিএসই পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, “গার্মেন্টস খাতে কর্মরত জনগোষ্ঠীকে বিনিয়োগে যুক্ত করা গেলে এটি হবে দেশের অর্থনীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।”
বৈঠকের শেষে ডিএসই’র প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, এফসিএস জানান, পুঁজিবাজারে গার্মেন্টস শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে শিগগিরই যৌথভাবে একটি সেমিনার আয়োজন করা হবে, যেখানে মূল বাজার, এসএমই বোর্ড ও বিকল্প ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) লিস্টিংয়ের সুযোগসমূহ তুলে ধরা হবে।