চাঁদপুর-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের ৪ প্রার্থী, কার ভাগ্যে চূড়ান্ত টিকিট?

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল হক সরকার বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে আপিলের মাধ্যমে ১০, ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি তারিখে প্রার্থিতা ফিরে পান—

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী ডা. আব্দুল মুবিন (দাঁড়িপাল্লা),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি মানসুর আহমদ সাকি (হাতপাখা),
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) প্রার্থী রাশিদা আক্তার মিতু (ঈগল)।
এ নিয়ে চারজনই এখন ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার আশায় মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
কে হচ্ছেন জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী?

এ আসনে বিএনপি মনোনীত হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ড. জালাল উদ্দিন। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর হুদার মনোনয়ন এখনো আইনি জটিলতায় আটকে আছে। এসব কারণে মতলবের হাট-বাজার, মাঠ-ঘাটে চলছে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

প্রার্থীদের বক্তব্য জামায়াত প্রার্থী ডা. আব্দুল মুবিন বলেন,
“তফসিল ঘোষণার ছয় মাস আগেই দলীয় মনোনয়ন পেয়ে আমি মাঠের কাজ শুরু করি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল দল এবং বর্তমানে জনসাধারণের কাছে দলের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও প্রচারে আমরা এগিয়ে আছি। জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকই পাবে বলে আমি আশাবাদী। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমি নই।”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি মানসুর আহমদ সাকি বলেন,“এই আসনে জোট থেকে আমাকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। অনেক আগ থেকেই আমি মাঠে রয়েছি। কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করব। চূড়ান্ত ঘোষণা না হলেও আমি মাঠ ছাড়ব না।”
এলডিপি প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী বলেন,
“আমাকেই চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা দেওয়ার পর আমি মনোনয়ন জমা দিয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জনসেবায় যুক্ত থাকায় আমার একটি শক্ত জনভিত্তি রয়েছে। আমি শতভাগ আশাবাদী।”এবি পার্টির প্রার্থী রাশিদা আক্তার মিতু বলেন,
“আমি শতভাগ আশাবাদী যে জোট থেকে আমাকেই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে।”

অন্যান্য প্রার্থী
এ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন—
গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত বিএম গোলাম হোসেন,
নাগরিক ঐক্য মনোনীত এনামুল হক,
বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত ফয়জুন্নুর আখন রাসেল,লেবার পার্টির প্রার্থী নাসিমা নাজনীন সরকার।
সব মিলিয়ে, শেষ পর্যন্ত ১১ দলীয় জোট থেকে এই চারজনের মধ্য থেকেই একজনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

আরো