সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা

পবিত্র রমজান সামনে রেখে আগেভাগেই নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে এর প্রভাব পড়লেও সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই মুরগির কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়ের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। একই সময়ে সোনালি জাতের মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ৩০০ টাকায়, যা আগে ছিল ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা।

অন্যদিকে গরুর মাংসের দামও কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭৮০ টাকা। তবে ডিমের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা এবং সাদা ডিম পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাঙাশ ও তেলাপিয়া প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। রুইয়ের দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা এবং শিং মাছ ৩২০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে রয়েছে। দেশি টেংরা ৪৬০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা ও টাকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি—জাত ও আকারভেদে কেজিতে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে।

বাজারে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মুরগির দামের হঠাৎ বৃদ্ধিতে অনেকেই বিকল্প হিসেবে মাছ কিনছেন। রায়ের বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন জানান, বাজারে ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। দামের কারণে ক্রেতা কমে গেছে বলেও জানান তিনি।
মুরগি কিনতে আসা ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভাবছিলাম ১৬৫ টাকার মধ্যে মুরগি পাব। কিন্তু ১৯০ টাকা কেজি হওয়ায় না কিনে মাছ নিয়েছি।’

ডিম বিক্রেতা মনতাজ উদ্দিন বলেন, শীতকালীন সবজি বেশি থাকায় ডিমের চাহিদা কিছুটা কম, তাই দামও স্থিতিশীল রয়েছে।

আরো