সিঙ্গারের টেকসই প্রবৃদ্ধি, আয় বেড়েছে

তুরস্কের কোচ হোল্ডিংয়ের ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান বেকোর সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (Q1) ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে। কোম্পানিটির এই অগ্রগতি তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সিঙ্গার বাংলাদেশ ৫.৮ বিলিয়ন টাকা রাজস্ব আয় করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ৫.৬ বিলিয়ন টাকার তুলনায় ৩.৪ শতাংশ বেশি। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জাতীয় নির্বাচনের পরবর্তী সময়ের ধীরগতি এবং ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির মতো চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি মোট মুনাফা ও পরিচালন মুনাফা স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে আর্থিক ব্যয় (ফাইন্যান্সিয়াল কস্ট) বৃদ্ধি পাওয়ায় নিট মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে প্রান্তিক শেষে ৫৫৯ মিলিয়ন টাকার নিট লোকসান গুনতে হয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশকে। একই সঙ্গে শেয়ারপ্রতি আয় (EPS), নিট সম্পদ মূল্য (NAV) এবং শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (NOCFPS)-এর মতো প্রধান সূচকেও এর প্রভাব দেখা গেছে।

এই ফলাফলকে কোম্পানির চলমান কৌশলগত বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন (BSEZ)-এ অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানা স্থাপন, নিজস্ব এয়ার কন্ডিশনার উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে সিঙ্গার বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি গড়ে তুলছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি পণ্য উদ্ভাবন, উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা এবং শক্তিশালী কাস্টমার এনগেজমেন্টের মাধ্যমে বাজারের সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে চায়। ‘ডুয়াল ব্র্যান্ড’ কৌশল এবং স্থানীয় উৎপাদনে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে সিঙ্গার বাংলাদেশ নিকট ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে আশাবাদী।

আরো