বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৪৫ বিলিয়ন ডলার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কয়েক মাসের ঊর্ধ্বমুখী ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। সর্বশেষ হিসাবে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রস (মোট) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য বা নিট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৭৪৯ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসজুড়ে রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রয়েছে। ৬ জুলাই গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। পরে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কিছুটা কমে এলেও তা আবার ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘরে স্থিতিশীল রয়েছে।

১৩ জুলাই রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন এবং ১৬ জুলাই ৩৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার ব্যবস্থাপনার কারণে রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। যদিও নিয়মিত আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের কারণে রিজার্ভে ওঠানামা হচ্ছে, তবুও সামগ্রিক অবস্থান আগের তুলনায় স্থিতিশীল রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক দুটি পদ্ধতিতে রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করে। এর মধ্যে গ্রস রিজার্ভ মোট বৈদেশিক মুদ্রা সম্পদের পরিমাণ নির্দেশ করে, আর আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার চিত্র তুলে ধরে।

বর্তমানে এ হিসাব অনুযায়ী দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ৩১ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী থাকলে আমদানি ব্যয় নির্বিঘ্নে পরিশোধ, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক ঋণ পরিশোধে সক্ষমতা বাড়ে। পাশাপাশি বৈদেশিক খাতে আস্থা বজায় রাখতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আরো