সায়হাম টেক্সটাইলের দরবৃদ্ধি, তদন্তে বিএসইসি
উৎপাদনে নিম্নমানের সুতা এবং দীর্ঘদিনের আর্থিক চ্যালেঞ্জের কারণে সায়হাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের স্পিনিং ইউনিট বন্ধ হলেও শেয়ার দর বৃদ্ধির নেপথ্যে একটি নিদির্ষ্ট চক্র। বিভিন্ন গুঞ্জন রটিয়ে কৃত্রিমভাবে শেয়ার দর বাড়ানোর অভিযোগ উঠছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ দাবি করছে শেয়ারদর বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই। গত কয়েক বছর ধরে ইউনিটটিতে উৎপাদন কার্যক্রমে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেওয়ায় কোম্পানিটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিল।
কোম্পানিটি জানায়, স্পিনিং ইউনিটে বিশেষ করে নিম্নমানের সুতা উৎপাদনের কারণে গত কয়েক বছর ধরে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গত ১০ মে ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ জুন ২০২৬ থেকে স্পিনিং ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। কারখানার ভবন পুনর্নির্মাণ, নতুন আধুনিক স্বয়ংক্রিয় স্পিন্ডল যন্ত্রপাতি স্থাপন, যন্ত্রপাতি চালু করা এবং পরীক্ষামূলক উৎপাদনের জন্য স্পিনিং ইউনিটের কার্যক্রম প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকবে। তারপরও শেয়ারদর বাড়ছেই, নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ? চলতি বছরের মে মাসের ২০ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৬ টাকা ৭০ পয়সা। যা বর্তমানে ( ২ সেপ্টেম্বর) শেয়ারদর ৩৮ টাকা ২০ পয়সা। ৬৯ কার্যদিবসে শেয়ারদর বেড়েছে ১২৮ শতাংশের বেশি।
তারপরও শেয়ারদর বৃদ্ধির নেপথ্যে আলোচনায় উঠে আসছে আলোচিত একটি ব্যাংকের সাবেক পোর্টফলিও ম্যানেজারের নাম। যাকে বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে ব্যাংক থেকে চাকরিচুত করা হয়েছে একই সঙ্গে এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার জরিমানা কবলেও পরেছেন আলোচিত সেই ব্যক্তি। তিনি এখন একটি বিমা কোম্পানির সহযোগি প্রতিষ্ঠানে যোগদান করে একের পর এক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে শেয়ারদর বাড়িয়ে বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। (আলোচিত ব্যক্তিকে নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হবে তাই তার পরিচয় এখানে উল্লেখ করা হয়নি)