বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরি ছাড়লেন ৫৭ কর্মকর্তা

দেশের ব্যাংক খাতে চলছে মহা সংকট। ব্যাংক একীভূতকরণ, খেলাপি ঋণের রেকর্ড, ডলার ও তারল্য সংকটের মধ্যে গ্রাহকদের পাশাপাশি ব্যাংক কর্মকর্তারাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। আর এরজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ভুল নীতিকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্যাংক খাতের এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে অন্যত্র সুযোগ পেয়ে খোদ আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকেরই চাকরি ছেড়ে দিলেন ৫৭ জন কর্মকর্তা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক আদেশে কর্মকর্তাদের চাকরি ছাড়ার তথ্য জানানো হয়।

এক সময় বিসিএস, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার মতো চাকরি ছেড়ে অনেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসতেন। কিন্তু এখন হয়েছে উল্টো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসনের ঘাটতিতে হতাশা, চাকরির সুযোগ-সুবিধা কমে আসার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

রাজস্ব ভবনে বহিরাগত ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা

৮ অক্টোবর থেকে ইলিশ আহরণ-কেনাবেচা বন্ধ

আজ ১৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

জানা যায়, পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন একজন উপ-পরিচালক ও একজন অফিসার। বাকি ৫৫ জন সহকারী পরিচালক। তাদের মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) ৪৮ জনের পদত্যাগ কার্যকর হবে। এছাড়া গত ৩১ মার্চ, ১৫ ও ১৬ এপ্রিল একজন করে, ১৮ এপ্রিল ২ জন এবং ২১ এপ্রিল ৪ জনের পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে।

চাকরি ছেড়ে যাওয়া এসব কর্মকর্তা বেশির ভাগই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া খুলনা ও বরিশাল অফিসে ৩ জন করে, সিলেট অফিসে ২ জন, মতিঝিল, চট্টগ্রাম ও রংপুর অফিসে একজন করে কর্মরত ছিলেন।

২০২২ সালের আগ পর্যন্ত তিন বছর পূর্ণ হলে পদ খালি থাকা সাপেক্ষে পরবর্তী ধাপে পদোন্নতির যোগ্য হতেন কর্মকর্তারা। এখন পদ খালি থাকলেও ৫ বছর না হলে পদোন্নতি পান না। আগে যোগদানের পর ৯ মাসের ফাউন্ডেশন প্রশিক্ষণ করানো হতো। এখন এক থেকে তিন মাসে নামিয়ে আনা হয়েছে।

আবার এই প্রশিক্ষণে ৮০ শতাংশ নম্বর পেলে অতিরিক্ত একটা ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হতো। সেটিও এখন বন্ধ। আর সরকারি চাকরি পঞ্চম গ্রেডে প্রতিমাসে ৪৫ হাজার টাকা কার মেইনটেন্যান্স ভাতা দেওয়া হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকে তা দেওয়া হয় না।

[atn_photocard]
আরো