বাজারে কমেছে পেঁয়াজের দাম, বেড়েছে কাঁচামরিচ
এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম। কেজিপ্রতি দুই টাকা কমে বর্তমানে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা দরে। সরবরাহ বেশি এবং ক্রেতা সংকট হওয়ার কারণে কমেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে দেশি কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি কাঁচামরিচ ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে এই দৃশ্য দেখা যায়। তবে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি না হওয়ার কারণে এবং মোকামগুলোতে সরবরাহ কমার কারণে বেড়েছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। দাম বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল হোসেন বলেন, কিছু দিন ধরে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত ছিল। ৫০ টাকার নিচেই প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল। বর্তমানে কেজিপ্রতি ২ টাকা কমে ৪০ থেকে ৪৬ টাকা দরে প্রকারভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। আমরা কম দামে কিনে, কম দামে বিক্রি করছি।
হিলি বাজারের কাঁচামরিচ বিক্রেতা বিপ্লব শেখ বলেন, দেশের বাজারে কাঁচামরিচরে সরবরাহ কমের কারণে বেড়েছে দাম। প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা কাঁচামরিচ আমদানি করছেন না। যার ফলে দেশি কাঁচামরিচের ওপর প্রভাব পড়েছে। ফলে দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা ভারত থেকে আমদানি করে থাকেন। বর্তমানে ৪০ শতাংশ শুল্ক দিয়েই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত গরমের কারণে অনেক সময় পেঁয়াজ পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবুও দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ৪০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা হলে দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় ২১ ট্রাকে ৬২৮ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে।