জুনের মধ্যে বাকি সব প্রতিবেদন জমা দেবে পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স
জুনের মধ্যেই পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের বাকি প্রতিবেদনগুলো জমা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কার টাস্কফোর্সের সদস্য এ এফ এম নেসার উদ্দিন।
বুধবার (২৫ জুন) ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে পুজিবাজারের বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
এর আগে পুঁজিবাজার সংস্কারে নেসার উদ্দিন বলেন, আমরা অধিকাংশ রিপোর্ট সাবমিট করে দিয়েছি। আমাদের দুই বিষয়ে প্রতিবেদন এখনও বাকি আছে। আশা করি ৩০ তারিখের মধ্যে বাকি রিপোর্ট সাবমিট হয়ে যাবে।
তিনি জানান, আমরা এবার আর্থিক বিবরণীর বিষয়ে অনেক পরিবর্তন এনেছি। যোগ্য নিরীক্ষক করা হবে, কোন ধরণের ফার্মকে নিয়োগ দেওয়া হবে সেগুলোর জন্য মাপকাঠি ঠিক করে দিয়েছি। পাশাপাশি আমরা সুশাসন নিয়েও কথা বলেছি।
টাস্কফোর্সের এই সদস্য বলেন, ৮০ শতাংশ তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিরীক্ষক যাদেরকে কেউ চেনে না। আমার মনে হয়, তাদের সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। এমনকি আইসিএবি কর্তৃক ব্ল্যাক লিস্টেড তাদেরকে নিরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো সুশাসনের বিষয়।
নেসার উদ্দিন বলেন, চূড়ান্ত বিষয় হলো সুশাসন। পরিচালনা পর্ষদ যদি ঠিক থাকে তাহলে আর্থিক বিবরণী ২ নম্বর হওয়ার সুযোগ নাই। পরিচালনা পর্ষদ দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলবে। স্বতন্ত্র পরিচালকরা হবে যোগ্য, তারা হবে ভাইব্রেন্ট। স্বতন্ত্র পরিচালক যদি যোগ্য না হয়,পরিচালনা পর্ষদ যদি ভাইব্রেন্ট না হয়, ইন্টারেক্টিভ না হয় তাহলে সেখান থেকে কিছু আশা করা যায়না।
তিনি আরও বলেন, ভালো সাপ্লাই আসলে মার্কেট ইম্প্রভ করতে বাধ্য। ভালো সাপ্লাই আনার জন্য সুশাসন, বহুজাতিক কোম্পানি ও লোকাল বড় কোম্পানিগুলোকে আনা উচিৎ। সেক্ষেত্রে বিএসইসি’র কমপ্ল্যায়েন্সগুলোকে সহজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ, আইসিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ, ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, সিডিবিএল চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী ও এফআইসিসিআই সভাপতি জাভেদ আক্তার উপস্থিত ছিলেন।