পুঁজিবাজারে আস্থা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে নানা প্রস্তাব
দেশের পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা, সুশাসন, তারল্য ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোঃ মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ’র সঙ্গে বৈঠক করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল। ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে পুঁজিবাজার আধুনিকায়ন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরে ডিএসই। এর মধ্যে ছিল— RTGS সুবিধার সময়সীমা বৃদ্ধি, স্যাটেলমেন্ট সাইকেল T+2 থেকে T+1-এ রূপান্তর, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে এফডিআর ও এসএনডি হিসাবের অর্থ ধাপে ধাপে নগদায়ন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের NITA হিসাব সহজীকরণ, IPO ও বন্ডভিত্তিক পুনঃমূলধনীকরণ, সরকারি সিকিউরিটিজের সেকেন্ডারি মার্কেট উন্নয়ন, সুকুক লেনদেন চালু এবং স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য CIB রিপোর্ট অ্যাক্সেস সুবিধা নিশ্চিতকরণ।
এছাড়া দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলেও গভর্নরের কাছে তুলে ধরা হয়। প্রতিনিধিদল ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এবং একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি জানায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
ডিএসই আশা প্রকাশ করেছে, প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে, বাজারে তারল্য ও দক্ষতা উন্নত হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেকসই আর্থিক বাজার গড়ে