বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারে অর্ধকোটি টাকা হরিলুট
বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারের কয়েকজন বিজ্ঞানী/কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানিয়াছেন যে, ড. সেলিম খান (পরিচালক ভারপ্রাপ্ত)২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের বিভিন্ন আর এন্ড ডি (R&D) প্রকল্পের বিভিন্ন (কেমক্যিাল, গ্লাসওয়ার ও যন্ত্রপাতি ) ই-জিপি সিস্টেমে ক্রয়ের জন্য প্রফেসর আফতাব আলী শেখ, চেয়ারম্যান এপিপি (APP) অনুমোদন করেন। সে অনুযায়ী কজের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রাজশাহী গবেষণাগারের পরিচালক নিজস্ব ঠিকাদারদের কার্যাদেশ দেওয়ার চেষ্টা করলে চেয়ারম্যান, প্রফেসর আফতাব আলী শেখ সাহেবের তৎপরতার রাজশাহী গবেষণাপারের কর্তৃপক্ষ ২ বার রি-টেন্ডার করে বিধায় ড. সেলিম খান (পরিচালক ভারপ্রাপ্ত) নিজস্ব ঠিকাদারদের কাজ দেওয়ায় ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে ( OTM Mathod) এর মাধ্যমে পরিচালক ড. সেলিম খান, ড. মোছাঃ শারমিনা ইয়াসমিন, পিএসও ও ও. নূরুল হুদা ভূঁইয়া, পিএসও এর সমন্ময়ে নিজস্ব ঠিকাদারদের কাজ দিয়ে মাল না নিয়ে স্টোর এন্ট্রি দেখিয়ে চুড়ান্ত বিল পরিশোধ করে যার অর্ধকোটি টাকার সিংহ্ভাগ তাদের নিজের পকেটে যায়। এছাড়াও আর এন্ড ডি (R&D) প্রকল্পের বিভিন্ন কেমিক্যাল, গ্লাসওয়ার ও যন্ত্রপাতি (SRFQ Mathod) এ ক্রয়ের জন্য অপিপি (APP) তে চেয়ারম্যান (Hope) এর অনুমোদন না থাকা শর্তেও রাজশাহী গবেষণাগারের ৩ তিন মোড়ল (ড. সেলিম খান, (পরিচালক ভারপ্রাপ্ত), ড. মোছাঃ শারমিনা ইয়াসমিন,পিএসও ড. নূরুল হুদা ভূঁইয়া, পিএসও নিজস্ব ঠিকাদাদের কার্যদেশ প্রদান করেন এবং মাল না নিয়ে স্টোর এন্ট্রি দেখিয়ে প্রায় ১৫,০০০০০-১৬,০০০০০/- টাকা উত্তোলন করে ভাগ বন্ঠন করে নেন।বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারে প্রায় দশ বিঘা জমির মধ্যে উলখর হতো যা থেকে নিলামের মাধ্যমে প্রতি অর্থ বছরে সরকারের আয় হতো দুই থেকে তিন লাখ টাকা কিছু সেই উলখড় পরিচালক ড. মোঃ সেলিম খান। সরকারী টাকা খরচ করে এবং সেই জমির উপর আর এন্ড ডি প্রকল্পে ভুট চাষাবাদের নাম না থাকা স্বত্তেও নিয়মিত (দিন মুজুর) দিয়ে কাজ করে অন্য বিল দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। প্লানিং এবং ডেভোলপম্যান্ট (P & D) অর্থাৎ (ক্রয় শাখা) বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারের একটি গুরুত্তপূর্ন শাখ এই শাখার ই-চার্জের দায়িত্ব বিজ্ঞানীদের দেওয়ায় তারা গবেষণা কর্মী কাজের মনস্ক হারিয়ে কেনাকাটার পেশায় মননিবেশ করেছেন।
অর্থ মন্ত্রনালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে বিভন্ন অর্থনৈতিক কোডে ৫০% খরচের কথা বলা হলেও ১০০% অর্থ খরচ করেছেন। উদাহর সুরুপ তারা বলেছেন (ISO) প্রশিক্ষন যেখানে ২ প্রশিক্ষনাথী বাবদ খরচ হয়েছে ২০০০/- টাকা এবং প্রশিক্ষক ও অন্যন্য বাবদ খরচ করা হয়েছে ১৫০০০-১৬০০০/- টাকা সর্বমোট দৈনিক খরচ করেছে প্রায় ২৩,০০০/- থেকে ২৪,০০০/- এভাবে তারা ২২-২৩ অর্থ বছরে ISO প্রশিক্ষনের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়াছে।