বন্ধ ২ টেক্সটাইল মিল চালুর চুক্তি অনুমোদন

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ থাকা মাগুরা টেক্সটাইল মিল ও নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল চালুর চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) পদ্ধতিতে পুনরায় চালুর লক্ষ্যে বেসরকারি অংশীদার নির্বাচনের এই চুক্তি অনুমোদন করা হয়।

এর মধ্যে মাগুরা টেক্সটাইল মিল চালুর চুক্তি হয়েছে চর্কা টেক্সটাইল লিমিটেডের সঙ্গে এবং নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল চালুর জন্য ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। বিটিএমসির ১৬টি মিল পিপিপি মডেলে চালুর উদ্যোগের অংশ এটি।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মাগুরা টেক্সটাইল মিলটি ১৬.০৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত এটি চালু ছিল। ৩০ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পে সম্পূর্ণ বিনিয়োগ করবে বেসরকারি অংশীদার ‘চর্কা টেক্সটাইল লিমিটেড। চুক্তির আওতায় তারা এককালীন ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সাইনিং মানি, তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ড শেষে বার্ষিক ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট ফি, ৫০ লাখ টাকা ডেভেলপমেন্ট ফি এবং বিটিএমসিকে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান করবে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ

দর পতনের শীর্ষে সায়হাম টেক্সটাইল

সূচক বাড়লেও লেনদেন ৬৫৫ কোটি টাকা

অন্যদিকে, ৩৭.৮৬ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলটি ১৯৮০ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। এটি চালুর জন্য ‘ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড’-কে প্রেফার্ড বিডার হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।

৩০ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পে প্রায় ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ এবং তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি এককালীন ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা সাইনিং মানি, তিন বছর পর থেকে মাসিক ১২ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৭ টাকা কন্ট্রাক্ট ফি, ৭৫ লাখ টাকা ডেভেলপমেন্ট ফি এবং ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি দেবে। এসব প্রকল্পে সরকারের কোনো আর্থিক বিনিয়োগ থাকবে না, শুধু জমির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

বৈঠকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে জি-টু-জি (সরকারের সঙ্গে সরকারের) প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানির এই অতিরিক্ত পরিমাণ অনুমোদিত কোটার ১০ শতাংশ। পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয় হবে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

এছাড়া রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন মিউরেট-অব-পটাশ (এমওপি), মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং বিভিন্ন দেশ থেকে বেসরকারি আমদানিকারকদের মাধ্যমে ৫ লাখ টন ডিএপি, ২ লাখ ২০ হাজার টন এমওপি এবং ২ লাখ টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। এসব সার কিনতে মোট খরচ হবে ৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

[atn_photocard]
আরো